ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে

ভারতের সার্বিক নির্বাচনী ব্যবস্থার উৎকর্ষ সাধনে প্রযুক্তির প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিমত দিয়েছেন দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র। গত ১১ আগস্ট, বুধবার, ভূটানের নির্বাচন কমিশন আয়োজিত ফোরাম অব দ্যা ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (ফেমবোসা) এর ১১ তম বার্ষিক সভায় ‘নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার’ -শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, “নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ করতে ভারত ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে।”



চন্দ্র আরও বলেন, “করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনও (ইসিআই) অনেক বিষয় ডিজিটালাইজড করেছে।”



ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটিতে ভারত, ভূটানের নির্বাচন কমিশন ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলো, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা।



নিজ বক্তব্য প্রদানের সময়, করোনা মহামারীর মাঝেও সফলভাবে ২০২০ এবং ২০২১ সালে বিহার, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ এবং পন্ডিচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন সিইসি চন্দ্র।



এসময় গণতান্ত্রিক বিশ্বের বড় একটি অংশের প্রতিনিধি হিসেবে ফেমবোসা’র প্রশংসা করেন চন্দ্র। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সহযোগিতার চিরন্তন মূল্যবোধ প্রতীয়মান হয় ফেমবোসা’র মাধ্যমে।



পাশাপাশি, ফেমবোসা’র বিদায়ী বর্তমান সভাপতি হিসেবে ভারতীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভূটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার দাশো সোনম তোপগের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বার্তা দেন ভূটানের সিইসি।



সংগঠনটির অন্য সদস্য দেশ গুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি করতে এবং নিজেদের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নেয়ার আহবান জানান ভারতীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ভূটানের জন্য শুভকামনাও জ্ঞাপন করেন তিনি।



এদিন, ফেমবোসা’র সভাপতিত্বের মেয়াদ দু বছর করার প্রস্তাবটিও সর্বসম্মতিক্রমে পাশ করা হয়েছে।