তালেবান নেতৃত্ব দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

মার্কিন সৈন্য আফগানিস্তান ছেড়ে যাবার সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই দেশের বেশিরভাগ ভূখন্ড দখলে নেয়ার লড়াইয়ে নামে জঙ্গী গোষ্ঠী তালেবান। রাজধানী কাবুলসহ দেশের বেশিরভাগ প্রদেশ যখন তাঁদের নিয়ন্ত্রণে চলে এলো, তখনই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি।

তবে এখনও গোটা আফগান ভূখন্ড দখলে নিতে পারেনি সশস্ত্র জঙ্গী গোষ্ঠীটি। আশরাফ ঘানি দেশ ছেড়ে পালানোর পরপরই নিজেকে সংবিধানের ৬৭ ধারা বলে দেশটির প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন ঘানি সরকারের ভাইস প্রেসিডেণ্ট আমরুল্লাহ সালেহ। দেশটির অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ পাঞ্জশির এখনও তালেবান বিরোধীদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। তাছাড়া, নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা আমরুল্লাহ সালেহ পাঞ্জশির প্রদেশটির তালেবান বিরোধী নেতা আহমেদ মাসুদের সঙ্গে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমন জটিল পরিস্থিতিতে আমাদেরকে মনে রাখতে হবে আফগানিস্তান একটি পার্বত্য এবং উপজাতি বেষ্টিত এলাকা। এখানে গোত্রের সঙ্গে গোত্রের সম্পর্ক এবং আনুগত্যের বিষয়টি অত্যন্ত নিখুঁত এবং জটিল। তাই এখানে কেবল মাত্র ভূখন্ড দখলে নিলেই শাসন করা সম্ভব হবে, বিষয়টি মোটেও তা নয়। তাই আফগানিস্তান পরিচালনা করা যেকোনো সরকার, শাসক গোষ্ঠী কিংবা নেতার জন্যে ভীষণ কঠিনসাধ্য এক কাজ। এরই মাঝে কিছু আফগান নেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দেশ শাসনের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ক্ষমতা দখলে নেয়া আর মসনদে টিকে থাকার যে পার্থক্য রয়েছে, তা তালেবানরাও বেশ ভালোভাবেই জানে। আর এজন্যেই তারাও নিয়মিত বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা বৈঠকগুলোতে যোগ দিচ্ছে। আভ্যন্তরীণ আলোচনাও অব্যহত রয়েছে।

আফগানিস্তানের বর্তমান যে তরুণ প্রজন্ম, তাঁরা অঢেল স্বাধীনতার স্বাদ যেমন উপভোগ করেছে, তেমনই গণতন্ত্রের উপযুক্ততার প্রমাণও পেয়েছে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদেরকে প্রাথমিক পর্যায়েই শরীয়া আইনের বশবর্তী করাটা সহজ হবেনা। যতক্ষণ না এই প্রজন্মের ইচ্ছে, চাহিদা এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে, ততক্ষণ অবধি তাঁরা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে নিজেদের অভিভাবক হিসেবে মসনদে বসার বিষয়টি মন থেকে মেনে নিবেনা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক চাপও মোকাবেলা করতে হবে তালেবানদের।

এমন বন্ধুর পরিস্থিতিতে আফগান ভূখন্ডে বিগত দু দশকে প্রতিষ্ঠা লাভ করা নানান সমীকরণ বদলে যাচ্ছে ঝড়ের বেগে। যদি জি-৭ এবং আইএমএফ সহ পশ্চিমা দেশগুলো তালেবানকে স্বীকৃতি দিয়ে দেয় এবং বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলো আফগানিস্তানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের বাহানায় তালেবানকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে দেয়, তবে সাধারণ আফগানরা ভীষণ বিপাকে পড়বে। দুর্বিষহ জীবন এবং সময় তাঁদের আসন্ন।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ইতোমধ্যে তালেবান নেতৃত্বকে পর্যবেক্ষণ পূর্বক যাচাই করার কথা ঘোষণা করেছেন। মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানের মাটি থেকে বিদায় নেয়ার পর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, “আমরা তালেবান নেতৃত্বকে পর্যবেক্ষণ পূর্বক তাঁদের কর্মের মাধ্যমে বিবেচনা করবো।”

একইভাবে ভোল পাল্টানোর ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া সহ বেশ কিছু সুপার পাওয়ার। কিন্তু দেখার বিষয় এই যে, জঙ্গী গোষ্ঠী হিসেবে আল কায়েদা এবং পাকিস্তানের জয়েশের সঙ্গে তালেবান নেতৃত্বের যে সংশ্লিষ্টতা ইতোপূর্বে পৃথিবী দেখেছে, সেটা থেকে তাঁরা কতটা বেরিয়ে আসতে পারে কিংবা আদৌ বেরুতে পারবে কী না! যদি সত্যিই তালেবান নিজেদের কট্টর অবস্থান এবং সন্ত্রাসী সখ্যতা পরিবর্তন করতে সক্ষম না হয়, তাহলে সামনে গোটা এশীয় অঞ্চলের জন্যেই ভয়াবহ বিপদ অপেক্ষা করছে।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে তালেবান উত্থানের পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তানের নিন্দিত গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তাই স্বাভাবিকভাবেই তালেবানরা ক্ষমতা দখলে নেয়ার পর সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করতে চাইবে তাঁরা। এখানেই আফগান প্রতিবেশী দেশগুলোর মূল আশঙ্কা বিদ্যমান। আফগান ভূখন্ড ব্যবহার করে যেকোনো সন্ত্রাসী হামলা গোটা অঞ্চলে স্থিতিশীলতার ব্যঘাত ঘটাবে।

বিষয়টি তালেবান নেতৃত্বের জন্যেও বিপজ্জনক। কেননা, যদি তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে পূর্বের মতোই অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে তাঁরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিঃসন্দেহে তাদেরকে ছেড়ে কথা বলবেনা।

মার্কিন বাহিনীর মতো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী একটি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে দু দশক যাবত তালেবানরা যেভাবে টিকে রয়েছে, তা সত্যিই বিষ্ময় জাগানিয়া। তবে এক্ষেত্রে চীন, ইরান এবং পাকিস্তানের ভূমিকা নেহায়েতই কম নয়। প্রত্যেকেই ভূ-রাজনৈতিক খেলায় প্রসার জমানোর অপেক্ষায় রয়েছে। তাছাড়া, অর্থনৈতিকভাবেও আফগান ভূখন্ড রীতিমতো সোনার ডিম পাড়া হাঁস। তাই এখানে কড়া নজর রয়েছে তুরস্ক, রাশিয়া, ইরান, চীনের।

ফলশ্রুতিতে, রাশিয়া এবং চীন কর্তৃক তালেবান নেতৃত্বকে স্বাগত জানানোর বিষয়ে মোটেও অবাক হইনি। আফগানিস্তানের ভূখন্ডের অভ্যন্তরে যে ভীষণ পরিমাণ খনিজ পদার্থ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, তা থেকে সর্বোচ্চ ফায়দা তুলে নেয়ার পায়তারা করছে মার্কিন বিদায়ে সুবিধাভোগী এসব রাষ্ট্রগুলো।

এক্ষেত্রে, চীনের উদ্দেশ্যটা এখানে সবচেয়ে বেশি গভীর এবং সুচিন্তিত। উইঘুর অঞ্চলে চীন মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর যে অত্যাচার চালিয়েছে, তা থেকে উদ্ভূত তুর্কিস্তান ইসলামী আন্দোলনকে সমর্থন করতে পারে তালেবান -এই আশঙ্কায় ক্ষমতা দখলের প্রাক্কালেই তালেবানের সঙ্গে ভাব জমিয়েছে বেইজিং। পাশাপাশি আফগানিস্তানের ভূখণ্ডের নিচে থাকা অঢেল সম্পদ উত্তোলন পূর্বক লাভ বের করে আনাও তাঁদের উদ্দেশ্যের অন্তর্গত। এছাড়া, আফগানিস্তানের জমিন ব্যবহার করে পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সুলভ করা এবং ওয়ান বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভে আফগানিস্তানের যোগদান নিশ্চিত করাও তাঁদের উদ্দেশ্য।

তালেবান নেতৃত্বও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতে আগ্রহী। কেননা শাসন ক্ষমতা নেয়ার পরপরই দেশ পরিচালনার জন্য তাঁদের প্রয়োজন পড়বে অঢেল সম্পদের এবং অর্থের। রাষ্ট্র যন্ত্র সচল রাখতে চীনের সহযোগিতার বিকল্প নেই তালেবানের।

অন্যদিকে, রাশিয়ার দিকে তাকালেও দেখা যাবে প্রায় বিগত দশ বছরেরও অধিক সময় ধরে তালেবানের সঙ্গে মিত্রতা রক্ষা করে চলেছে মস্কো। ভূ-রাজনৈতিক খেলায় পূর্ব অপমান ভুলে অঞ্চলটিতে নিজেদের প্রসার জমাতে ব্যস্ত পুতিনের রাশিয়া। মধ্য এশিয়ায় মার্কিনীদের প্রভাব কমিয়ে মস্কোর প্রভাব বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়িক ট্রানজিট করিডোর হিসেবে আফগান ভূখন্ড ব্যবহারও মস্কোর উদ্দেশ্যের অন্তর্গত। এছাড়াও, আফগানিস্তানের পথ ব্যবহার করে রাশিয়ায় যে মাদক চোরাচালান ঘটে, সেটিও সহজে প্রতিহত করতে পারবে রুশ বাহিনী। সর্বোপরি, মাঠ পর্যায়ে বেইজিং এর পাশাপাশি দাপট দেখাতে পারবে মস্কোও।

রুশদের পাশে পেলে তালেবানও পায়ের তলায় জমি শক্ত করতে পারবে। জাতিসংঘ সহ অন্যান্য আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে মান্যতা পাবে আফগান নেতৃত্ব।

তাই আফগানিস্তানে চলমান পাঞ্জশির আন্দোলনে সমর্থন নেই রাশিয়া ও চীনের। দেশটিতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত এখনই তালেবানের পক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ও বিবৃতি দিয়েছেন। এছাড়া, ২০০৩ সালে তালেবানদের উপর দেয়া রুশ নিষেধাজ্ঞাও খুব সম্ভবত শীঘ্রই তুলে নেয়া হবে।

এদিকে, তালেবান নেতৃত্বের অনুরোধে দেশটিতে তেল ও গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে ইরান। পাশাপাশি শিয়া মতাবলম্বী বেশি হওয়ায় উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে মতের মিলও পাওয়া যাবে স্বাভাবিকভাবেই। তুরস্কও একইভাবে তালেবানের সঙ্গে বাণিজ্যপথ সুগম করতে মরিয়া।

আর সবশেষে আবারও বলছি পাকিস্তানের কথা। তালেবানের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে তাঁদের। তবে, এটিই আবার পাকিস্তানের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিতে পারে। কারণ পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ তালেবান সমস্যা বহুদিনের। তেহরিক ই তালেবান, পাকিস্তান -কে বরাবরই জঙ্গী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে ইসলামাবাদ। কিন্তু আফগান তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তান তালেবানের ঘনিষ্ঠতা দেশটির জন্য মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সন্দেহ নেই চীনের সঙ্গে মিলে আফগানিস্তানে নিজদের প্রভাব বাড়াতে চাইবে পাকিস্তান।

এমন পরিবর্তিত পরিস্থিতি ভারতের জন্য কিছুটা নেতিবাচক বটে। গত প্রায় দু দশকে আফগানিস্তান জুড়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণার্থে ৫০০ টিরও বেশি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত। তাছাড়া, দেশটিতে সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাগত বিভিন্ন কেন্দ্রও স্থাপন করেছে নয়াদিল্লী। প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ছাড়াও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আফগান ভূখন্ড ভারতের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছিল। তাছাড়া, নিরাপত্তা ইস্যুতেও আফগানিস্তান ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

তাই সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কা সহ স্বার্থগত এবং গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে আফগানিস্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে ভারত। ইতোমধ্যে দেশটিতে নিজেদের সকল দূতাবাস বন্ধ করা সহ নাগরিকদের ফিরিয়ে আনছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার।

তবে তালেবান যদি নিতান্তই নিজেদেরকে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং প্রভাবমুক্ত হয়ে দেশ পরিচালনা করতে পারে, তবে দিল্লির সঙ্গে স্বার্থের কোনো সংঘাত হবার কথা নয়। তথাপি জাতিসংঘেও জোরালো অবস্থানে রয়েছে ভারত। এদিকে, ভারতের পরিচালনা করা উন্নয়ন প্রকল্প গুলোর পাশাপাশি ভারতীয় সমর্থন ও বাজার তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রতীয়মান।

উল্লেখ্য, তালেবান নেতৃত্বের প্রতি ভারতের এখনও অবধি যে দুটো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটি নারী পুরুষ নির্বিশেষে সার্বিক মানবাধিকার এবং অসাম্প্রদায়িক অবস্থান নিশ্চিত করা। অন্যটি আফগান ভূখন্ড সন্ত্রাসবাদে ব্যবহার না করতে দেয়া। পাশাপাশি দেশটিতে চলমান ভারতীয় প্রকল্প গুলোর নিরাপত্তা বিধানও নয়াদিল্লীর অগ্রাধিকার।

তাই বলতেই হয়, আফগানিস্তানে পালটে যাচ্ছে ভূ-রাজনৈতিক সকল প্রেক্ষাপট ও সমীকরণ। এমন পরিস্থিতিতে আফগান ভূখন্ডের স্থিতিশীলতার অনেকটাই নির্ভর করবে তাঁদের নিজেদের মিত্র রাষ্ট্র সমূহ কত দ্রুত এবং কীভাবে তাদেরকে সহযোগিতা করে, তাঁর উপর। একই সঙ্গে সার্বিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমর্থনও আদায় করতে হবে তালেবানদের।

অন্যদিকে, নিজেদের গুটিয়ে নেয়ার পর মার্কিন বাহিনী এখানে খুব একটা প্রসার জমাতে চাইবে বলে মনে হয়না। পাশাপাশি ফিরে আসা তালেবান নেতৃত্ব তাদেরকে এটি করতেও দিবেনা। তাই দ্রুত বদলে যাওয়া আফগান সমীকরণ ভবিষ্যতে গোটা অঞ্চলকে কোথায় নিয়ে দাড় করায়, সেটিই এখন দেখার।

লেখক: লিবিয়া, জর্ডান এবং মাল্টায় দায়িত্ব পালন করা প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। বর্তমানে স্বামী বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক ফাউন্ডেশনের একজন সম্মানিত ফেলো। (প্রকাশিত লেখনী সম্পূর্ণই লেখকের নিজস্ব অভিমত)