২০১৬ এর পর দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করতে চলেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ০৯ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকসের ১৩ তম শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন তিনি।



এবারের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, “ব্রিকস@১৫: ধারাবাহিকতা, একত্রীকরণ এবং ঐক্যমতের জন্য আন্তঃ ব্রিকস সহযোগিতা” ।



ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইতোমধ্যে শীর্ষ সম্মেলনটি সামনে রেখে চারটি অগ্রাধিকার রূপরেখা প্রকাশ করা হয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে, বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার; সন্ত্রাস দমন; এসডিজি অর্জনের জন্য ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা; জনশক্তি বিনিময়।



এছাড়াও, করোনা মহামারীর প্রভাব এবং তা কাঁটিয়ে উঠতে সম্ভাব্য করণীয়, চলমান নানা ধরণের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমস্যা সম্পর্কেও মতবিনিময় করবেন নেতারা।



বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসানারো; রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন; চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং; এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা।



বৈশ্বিক এই নেতারা ছাড়াও বৈঠকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মার্কোস ট্রয়েজো, ব্রিকস বিজনেস কাউন্সিলের প্রো টেম্পোর চেয়ার ওঙ্কার কানওয়ার এবং ব্রিকস উইমেনস বিজনেস অ্যালায়েন্সের প্রো টেম্পোর চেয়ার ড সঙ্গীতা রেড্ডি সম্মেলন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন।



সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।



প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে ব্রিকস গঠন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয় এবং ২০০৯ সালে সর্বপ্রথম এর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত পনেরো বছরের যাত্রায় সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, সাইবার সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহ অর্থনৈতিক সহযোগিতার নিত্য নতুন ক্ষেত্রে একত্রে কাজ করে চলেছে ব্রিকস। উন্নয়নশীল দেশ সমূহের চাহিদা এবং উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনা এবং দাবির ক্ষেত্রে ব্রিকস একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।