সংলাপটি জলবায়ু ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারিত্বের আওতায় শুরু হয়েছে।

‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড ফাইন্যান্স মোবিলাইজেশন ডায়ালগ (সিএএফএমডি)’ চালু করলো ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৩ সেপ্টেম্বর, সোমবার, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরির উপস্থিতিতে সংলাপটি চালুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সংলাপটি ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নের আওতায় শুরু হয়েছে। এজেন্ডাটি বাস্তবায়নের প্রধান দুটো পদক্ষেপের মধ্যে সিএএফএমডি সংলাপ চালুর বিষয়টি অন্যতম। অপর প্রধান পদক্ষেপ হচ্ছে দু দেশের মধ্যে ক্লিন এনার্জি খাতে কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি।

প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য পূরণের নিমিত্তে চলতি দশকে কর্মকাণ্ড বাড়ানোর লক্ষ্যে গত এপ্রিলে জলবায়ু ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ভারতের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে সংশ্লিষ্ট নেতৃত্ব এবং কর্মকর্তাবৃন্দের ভূয়সী প্রশংসা করেন জন কেরি। এছাড়াও, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদারে আরও গভীরভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

এরপর, কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বলেন, “সংলাপটি জলবায়ু এবং পরিবেশ খাতে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার এক রোল মডেল হিসেবেও বিবেচিত হবে। টেকসই উন্নতির অগ্রাধিকার দিতে সংলাপটি ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করি।”

এর আগে, গত রবিবার তিনদিনের সফরে ভারতে পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি। গত শুক্রবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছিলো। জানা গিয়েছে, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবেলার প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে ভারত সফর করছেন কেরি।

মূলত, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন ‘কোপ-২৬’ -কে কেন্দ্র করে ঘন ঘন ভারত সফরে আসছেন জন কেরি। এছাড়াও, ভারতের সঙ্গে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।