রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, “কোয়াড দেশগুলোই পারে প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের ভবিষ্যত রূপ সাজাতে।”

ভারতের কেন্দ্রীয় আইটি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর বলেছেন, “কোয়াড দেশগুলোই পারে প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের ভবিষ্যত রূপ সাজাতে। প্রযুক্তির ভবিষ্যত পরিচালনায় নেতৃত্ব দিবে কোয়াড। গুটিকয়েক উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীদের উপর সব ছেড়ে দেয়া যাবেনা।”

গত ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের ৪র্থ লিডারশিপ সামিটে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনটি আয়োজন করেছেন ইউএসআইএসপিএফ -এর চেয়ারম্যান জন চেম্বার্স এবং ইউএসআইএসপিএফ -এর প্রধান নির্বাহী মুকেশ আঘি।

রাজীব বলেন, “কোয়াড সদস্যগণ ভবিষ্যত প্রযুক্তির গতিপথ ঠিক করবে। উন্মুক্ত, নিরাপদ, বিশ্বস্ত এবং জবাবদিহিতা মূলক বিশ্ব গড়তে কোয়াডকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।” বর্তমানে জনগণের চাহিদা দিনকে দিন উল্লেখযোগ্য ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “সরকার ধীরে সুস্থে নাগরিকদের চাহিদা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং বাস্তবায়ন করছে।

মহামারী চলাকালেও ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য, কূটনীতি, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য খাতে সম্পর্ক জোরদার হয়েছে বলে অভিমত দেন মন্ত্রী। এসময়, ডিজিটাল ভারত গড়তে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে ধরেন তিনি। সেগুলো যথাক্রমে,

ক) প্রযুক্তিকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যাতে এটি মানুষের জীবন বদলে দেয় এবং উন্নত করে।

খ) সর্বত্র প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে হবে এবং গুণগতভাবে অর্থনীতির উন্নতি করতে হবে।

গ) প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্যোক্তা, চাকরি ও জীবিকার সুযোগ প্রসারিত করতে হবে।

ঘ) ভারতকে উদীয়মান সকল প্রযুক্তি এবং সম্ভব সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্বের পর্যায়ে যেতে হবে।

এছাড়াও, মহামারী চলাকালে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা পৌছাতে ডিজিটাল ইন্ডিয়া কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন মন্ত্রী। তাছাড়া, জিও-পলিটিক্স, আইসিটি ট্রেড, ডেটা গভর্নেন্স এবং ক্রস-বর্ডার ডেটা ফ্লো নিয়েও কথা বলেন রাজীব।

বৈঠকে ইউটিউব এর চিফ প্রোডাক্ট অফিসার এবং গুগলের এসভিপি নীল মোহনের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দেন মন্ত্রী।

এর আগে, ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরাম (ইউএসআইএসপিএফ) এর বার্ষিক লিডারশিপ সামিটে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হওয়া ভারত-মার্কিন শীর্ষ নেতৃত্বের সম্মেলনের ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অনেক গুলো নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।