দু দেশের কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে কিশিদার সঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন মোদী।

জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ০৪ অক্টোবর, সোমবার, এক টুইটবার্তায় মোদী বলেন, “জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে অভিনন্দন ও শুভকামনা। ভারত ও জাপানের মধ্যকার কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সর্বত্র শান্তি ও সমৃদ্ধির বাণী এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।”

ভারত এবং জাপানের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান জানিয়ে মোদী আগত দিনগুলোতে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার, জাপানের পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে ভোটে জিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হলেন ফুমিও কিশিদা। দেশটির সদ্য প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিশিদা মতৈক্যের ভিত্তিতে চলা পছন্দ করেন।

পূর্বেই জানা গিয়েছিলো, জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি কিশিদাকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে। তারপরও পার্লামেন্টে আস্থাভোট জিততে হতো তাঁকে। তবে পর্লামেন্টে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে বসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা ছিলো।

প্রসঙ্গত, জাপানের একশোতম প্রধানমন্ত্রী কিশিদা। তিনি সুগার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। সুগা আসন্ন ভোটে দলকে নেতৃত্ব দিতে চাননি। করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য সুগার জনপ্রিয়তা কমে গিয়েছিলো।

জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশটির জনগণের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো, করোনাকালে চাপের মধ্যে থাকা অর্থনীতির হাল ফেরানো। কিশিদা জানিয়েছেন, তিনি আর্থিক সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবেন। চলতি বছরের শেষে ৩০ ট্রিলিয়ন ইয়েনের একটি বিশেষ প্যাকেজও ঘোষণা করবেন তিনি। এই প্যাকেজের ফলে জাপানের অর্থনীতি আবার চাঙ্গা হবে বলে তাঁর আশা।

কিশিদা জানিয়েছেন, নিও-লিবারালিসম থেকে সরে নিউ জাপানি ক্যাপিটালিজমের দিকে দেশকে নিয়ে যেতে চান তিনি এবং কর ব্যবস্থার সংস্কার করে তিনি মানুষের হাতে আরও অর্থ তুলে দিতে চান।