আসিয়ান ভূক্ত সদস্য দেশের প্রতিনিধিগণ এবং ভারতের বক্তারা সমস্বরে টেকসই পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

আশিয়ান এবং ইন্ডিয়া নেটওয়ার্ক অফ থিঙ্ক ট্যাঙ্কস (এআইএনটিটি) এর ৭ম গোলটেবিল আলোচ্যসূচিতে স্বাস্থ্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিস্থাপকতায় সহযোগিতা নিয়ে বিস্তর কথা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে অংশ নেন ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং।

বৈঠকে আসিয়ান ভূক্ত সদস্য দেশের প্রতিনিধিগণ এবং ভারতের বক্তারা সমস্বরে টেকসই পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এসময়, এসডিজি, এমএসএমইএস এবং সংযোগের বিষয়েও বিশদ আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর।

নয়াদিল্লীর আরআইএস এবং কম্বোডিয়ান ইনস্টিটিউট ফর কো-অপারেশন অ্যান্ড পিস (সিআইসিপি)-এর আসিয়ান-ইন্ডিয়া সেন্টারের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর।

যৌথভাবে ৭ম গোলটেবিল আলোচ্যসূচির উদ্বোধন করেন ভারতের পররাষ্ট্র ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং এবং কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রকের রাজ্য সচিব কুং ফোক। এবারের গোলটেবিল বৈঠকের থিম ছিলো, ‘পোস্ট-কোভিড-১৯ পুনরুদ্ধার: আসিয়ান-ভারত অংশীদারিত্বের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা এজেন্ডা’।

উদ্বোধনী ভাষণ প্রদানের সময়, স্বাস্থ্য, ভ্যাকসিন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাপ্লাই চেইন স্থিতিস্থাপকতার মতো ক্ষেত্রে আশিয়ান-ভারত সহযোগিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রকের রাজ্য সচিব কুং ফোক।

অন্যদিকে, মহামারী পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য আশিয়ান-ভারত সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা আইটেম হিসাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ডিজিটাল অংশীদারিত্ব এবং সবুজ ও টেকসই পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন ভারতীয় মন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও রাষ্ট্রদূতগণ। এর আগে সর্বপ্রথম ভারত-আশিয়ান সম্পর্ক বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো থাইল্যান্ডে ২০০৯ সালে। এরপর ২০১২ সালে নয়াদিল্লীতে, ২০১৩ সালে ভিয়েনতিয়েনে, ২০১৪ সালে হ্যানয়, ২০১৫ সালে কুয়ালালামপুর, ২০১৮ সালে জাকার্তা এবং ২০২০ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক